কোনো প্রকার চিনি, হাইড্রোজ বা কেমিক্যালের কৃত্রিমতা নেই। যশোরের পল্লীগ্রামের মাটির হাঁড়িতে কাঠের ধীর আঁচে ফোটানো আসল গুড়ের অমলিন সোঁদা ঘ্রাণ ও অতুলনীয় স্বাদ পৌঁছে দিচ্ছি সরাসরি আপনার ঘরে।
অভিজ্ঞ গাছিরা বিকেলবেলা থেকেই নাছের ভালপালা নিপুণ হাতে ছেঁটে বিশেষ কাঠের নল পাতার মাটির হাঁড়ি বেঁধে দেন। শীতের রাতে ফোঁটা ফোঁটা তাজা নলেন রস হাঁড়িতে জমে। ভোরের রোদ ফোটার আগেই আগেই সুস্বাদুর সাথে সাথে সেই রস নামিয়ে আনা হয়।
রস নামানোর সাথে সাথেই ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে রাখা মাটির চুলায় রসানো বিশাল লোহার তাওয়ায় (তাওয়া) কাঠের আগুনে জ্বাল দেওয়া হয়। কোনো রাসায়নিক ছাড়াই দক্ষ কারিগররা অভিজ্ঞ চোখে ধারাবক্রণ করে তৈরি হয় সোনা রঙের ঘন রস ও মোলায়েম স্বাদ।
জ্বাল দেওয়া ঘন রস কাঠের মুগুরে ঘষে ঘষে বিশেষ তাপমাত্রায় আনা হয়। এরপর কাঁচা মাটির তৈরি চাকতি বা ছাঁচে ঢেলে প্রাকৃতিক বাতাসে জমিয়ে খাঁটি পাটালি তৈরি করা হয়। কোনো রকম চিনি ছাড়াই প্রাকৃতিক দানাদার টেক্সচার এতে ফুটে ওঠে।
প্রাকৃতিক গাঢ় লালচে-বাদামি বা তাম্র বর্ণ। কোনো কৃত্রিম উজ্জ্বলতা নেই।
অস্বাভাবিক উজ্জ্বল হলুদ বা ধবধবে সাদাটে (হাইড্রোজ ও কেমিক্যালের লক্ষণ)।
নাকে নিলেই তাজা কাঁচা খেজুর রসের মিষ্টি ও সোঁদা প্রাকৃতিক সুবাস পাওয়া যাবে।
চিনির পোড়া গন্ধ বা রাসায়নিক হাইড্রোজ ও সালফারের তীব্র কৃত্রিম গন্ধ।
মৃদু ও স্নিগ্ধ মিষ্টতা। গলায় কোনো অস্বস্তি বা ঝাঁঝালো ভাব থাকবে না।
অতিরিক্ত কড়া চিনি মেশানো মিষ্টি, কখনো হালকা নোনতা বা তিতা স্বাদ লাগে।
নরম ও আঙুল দিয়ে চাপলে সহজে ভাঙে, মুখে দিলে মাখনের মতো মিলিয়ে যায়।
পাথরের মতো শক্ত কিংবা চুন ও ফিটকিরির কারণে কৃত্রিম কাঁচের মতো চকচকে।
ধোঁয়া ওঠা চিতই পিঠা বা দুধ পুলির সাথে তাজা নলেন গুড়ের এক চামচ মেখে খাওয়ার চিরচেনা স্মৃতি ফিরিয়ে আনুন ঘরে।
শরীরের রক্তস্বল্পতা দূর করে, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায় এবং দুর্বলতা দূর করে সারাদিনের সতেজ শক্তি জোগায়।
ভারী খাবারের পর সামান্য গুড় খেলে পরিপাক নালীতে এনজাইম সক্রিয় করে গ্যাস ও অ্যাসিডিটি দূর করতে সহায়তা করে।
গরম দুধ বা চায়ের সাথে খেলে খুসখুসে কাশি, ফুসফুসের প্রদাহ ও গলার খুসখুসে দূর করে তাৎক্ষণিক আরাম দেয়।
সাদা বিশুদ্ধ পরিশোধিত চিনির চেয়ে খেজুরের গুড়ে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও প্রাকৃতিকভাবে খনিজ উপাদান অটুট থাকে।
ঢাকার ভেতরে সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এবং ঢাকার বাইরে যেকোনো জেলা ও উপজেলায় ২ থেকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ভরযোগ্য কুরিয়ারের মাধ্যমে ডেলিভারি সম্পন্ন করা হয়।
ঠাণ্ডা ও শুকনো স্থানে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করলে গুড় প্রায় ২-৩ মাস পর্যন্ত সতেজ ও সুস্বাদু থাকে। ফ্রিজে রাখলে আরও দীর্ঘদিন ভালো থাকে।
আমাদের গুড় শতভাগ খাঁটি। তারপরও কোনো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় ভেজাল প্রমাণিত হলে আমরা কোনো প্রশ্ন ছাড়াই দ্বিগুণ মূল্য ফেরত দেব।
আমরা ক্যাশ অন ডেলিভারি সেবা দিই, অর্থাৎ পণ্য হাতে পেয়ে যাচাই করার পর ডেলিভারিম্যানকে মূল্য পরিশোধ করলেই হবে। কোনো অগ্রিম টাকা লাগে না।
প্যাকেট গ্রহণের সময় দয়া করে পণ্যটি ভালোভাবে যাচাই করে নিন। কোনো সমস্যা বা ক্ষতি দেখলে ডেলিভারিম্যানকে জানিয়ে আমাদের কাস্টমার সাপোর্টে যোগাযোগ করুন, আমরা দ্রুত সমাধান করে দেব।
বায়ুরোধক পাত্রে ভরে ঠাণ্ডা ও শুকনো জায়গায় রাখুন। সরাসরি সূর্যের আলো বা আর্দ্র পরিবেশ এড়িয়ে চলুন, এতে গুড়ের স্বাদ ও গুণগত মান দীর্ঘদিন অক্ষুণ্ণ থাকবে।